পর পর পাঠানো বাতাসের শপথ যা উপকার সাধন করে,
পড়ুন · শিখুন · বেড়ে উঠুন
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
লক্ষ্য ঠিক করুন, আজকের সূরা সম্পন্ন হিসেবে চিহ্নিত করুন, এবং শেষ খোলা স্থান ধরে রাখুন।
পর পর পাঠানো বাতাসের শপথ যা উপকার সাধন করে,
অতঃপর তা প্রচন্ড ঝড়ের বেগে বইতে থাকে,
শপথ সেই বায়ুর যা (মেঘমালাকে) ছড়িয়ে দেয় দূর দূরান্তে,
আর বিচ্ছিন্নকারী বাতাসের শপথ যা (মেঘমালাকে) বিচ্ছিন্ন করে,
অতঃপর (মানুষের অন্তরে) পৌঁছে দেয় (আল্লাহর) স্মরণ,
(বিশ্বাসী লোকদেরকে) ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ দেয়ার জন্য আর (কাফিরদেরকে) সতর্ক করার জন্য।
তোমাদেরকে যার ও‘য়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্যই সংঘটিত হবে।
যখন নক্ষত্ররাজির আলো বিলুপ্ত হবে,
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
যখন পবর্তমালা ধুনিত হবে।
যখন (হাশরের মাঠে) রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় এসে পড়বে।
(এ সব বিষয়) কোন দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে?
চূড়ান্ত ফয়সালার দিনের জন্য।
সেই চূড়ান্ত ফয়সালার দিনটি কী তা তোমাকে কিসে জানাবে?
সে দিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য।
আমি কি আগেকার লোকেদেরকে ধ্বংস করে দেইনি?
অতঃপর পরবর্তী লোকেদেরকেও আমি তাদের অনুগামী করব।
অপরাধীদের প্রতি আমি এরকমই করে থাকি।
সে দিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য।
আমি কি নগণ্য পানি থেকে তোমাদেরকে সৃষ্টি করিনি?
অতঃপর আমি তা রেখেছি এক সুসংরক্ষিত স্থানে।
একটা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত,
অতঃপর আমি তাকে গঠন করেছি সুসামঞ্জস্যপূর্ণরূপে, আমি কতই না উত্তম ক্ষমতার অধিকারী!
সে দিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য।
আমি কি পৃথিবীকে (সব কিছুকে টেনে গুটিয়ে) ধারণকারীরূপে সৃষ্টি করিনি?
জীবিত ও মৃতদেরকে (ভাল আর মন্দকে নেককার আর পাপাচারীকে)।
আর আমি তাতে স্থাপন করেছি অনড় সুউচ্চ পবর্তমালা আর তোমাদেরকে পান করিয়েছি সুমিষ্ট সুপেয় পানি।
সেদিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য।
(তাদেরকে বলা হবে) ‘চলো তার দিকে তোমরা যাকে মিথ্যে ব’লে প্রত্যাখ্যান করতে।
‘চলো সেই (ধোঁয়ার) ছায়ার দিকে যার আছে তিনটি শাখা (অর্থাৎ ডানে, বামে, উপরে সব দিক থেকেই ঘিরে ধরবে),